কক্সবাজার উত্তর বনবিভাগের ফুলছড়ি রেঞ্জ কর্মকর্তা ও নাপিতখালী বন বিভাগের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় স্থানীয় কিছু মানুষের সহায়তায় চলছে পাহাড় সাবাড়। দিনদুপুরে পাহাড় কেটে ধ্বংস করা হলেও বনবিভাগ একেবারেই নিরব।
পাহাড় কাটার কারণে অসহায় অসংখ্য মানুষের বাড়িঘর হুমকির মুখে পড়েছে। যেকোন মূহুর্তে পাহাড় ধ্বস সহ বড় দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।
একদিকে মানুষের চলাচল রাস্তায় কাঁদা মাটি ছেড়ে দিয়ে স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত করছে, অপরদিকে হুমকির মুখে অসহায় মানুষের বাড়িঘর।
বনখেকোদের এসব অত্যাচারের কেউ প্রতিবাদ করলে নেমে আসে অমানুষিক নির্যাতন ও ফেইসবুক ব্লেইম।
এসব পাহাড় ধ্বংসের প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লেখালেখি শুরু করেছেন স্থানীয় যুবসমাজ।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইসলামাবাদ ৫নং ওয়ার্ড ও ৮নং ওয়ার্ডের পূর্ব বোয়াল খালী, পশ্চিম গজালিয়া মৃত নূরুল ইসলাম (পিয়াইজ্জা) দোকানের পূর্ব দেওয়াল ঘেরা বাউন্ডারির গেইট বন্ধ করে দেদারসে চলছে পাহাড় কর্তন।
স্থানীয় দোকানদার বেলাল উদ্দিন জানান, আমাদের খুবই কষ্ট হচ্ছে। এসব প্রতিবাদ করলে লোকজন আমাকে খারাপ চোখে দেখে।
স্থানীয় মাদ্রাসা শিক্ষক রফিকুল ইসলাম জানান, এসব পাহাড় কাটার কারণে রাস্তাঘাটে চলাচল প্রায় অসম্ভব হয়ে গেছে।
এবিষয়ে স্থানীয় বনবিভাগের লোকজনের যোগাযোগ করা হলে তারা দায়সারা জবাব দিয়ে বলেন, আমরা খুব শীঘ্রই ব্যবস্থা নিচ্ছি। কিন্তু কেউ নেই এসব দেখার। সচেতন মহলের দাবি জানান,, মাটির বুঝাই করা ড্যামপার, চলাচলে রাস্তা ফাটল ধরা, সাইটের ভাংচুর,, বন্ধের জোর দাবি জানান, পাশাপাশি ঈদগাঁওউপজেলা নির্বাহী পরিচালক ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কমনা করেন উপজেলা বাসী।