• মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
মঠবাড়িয়ায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সর্দার গ্রেপ্তার, পিস্তল ও ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার কালীগঞ্জে গ্রাম পুলিশদের সাপ্তাহিক হাজিরা, তিন সদস্য পেলেন বিশেষ সম্মাননা পিরোজপুরে ধর্ষণচেষ্টার মামলায় যুবকের ৭ বছরের কারাদণ্ড ব্যবস্থাপনা কমিটির নামে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে চন্দ্রগঞ্জ বাজার নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ‘দৈনিক যায়যায় সময়’র রংপুরে শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী পরিবারের সকলকে একরাতে যেভাবে হত্যা করা হয় জামালপুর সদরে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৩৭০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে গংগাচড়ায় সোনার দামে বালু, থমকে গেছে উন্নয়ন, উপজেলা প্রশাসন নিরব। বিপাকে কৃষক ও ঠিকাদার চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ, যন্ত্র থাকা সত্ত্বেও বাইরে পরীক্ষা দেওয়ার দাবি জামালপুরে টানাপোড়েনে হত্যা, হত্যাকারীর জবানবন্দিতে বেরিয়ে এলো রহস্য

ব্যবস্থাপনা কমিটির নামে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে চন্দ্রগঞ্জ বাজার

স্টাফ রিপোটার | সিয়াম হোসেন / ১২ Time View
Update : সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

স্টাফ রিপোটার | সিয়াম হোসেন

ব্যবস্থাপনা কমিটির নামে দুইজনের কমিটি দিয়ে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে লক্ষ্মীপুরের বিশাল বাণিজ্যিক শহর চন্দ্রগঞ্জ বাজার।

২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তনের পর ব্যবসায়ীদের উপর অনেকটা উড়ে এসে জুড়ে বসেছে এই ব্যবস্থাপনা কমিটি।
জানা যায়, বিগত আওয়ামী সরকারের সময় স্বতন্ত্র নির্বাচন করে চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা নুরুল আমিন। ওই সময় বাজার পরিচালনা কমিটি বিলুপ্ত করে চন্দ্রগঞ্জ বাজার বণিক সমিতির নামে নির্বাচনের মাধ্যমে একটি কমিটি গঠিত হয়। মূলত; ওই কমিটি দিয়েই বাজারটি পরিচালিত হয়ে আসছিল।

৫ আগষ্ট সরকার পরিবর্তন হলে ইউপি চেয়ারম্যান নুরুল আমিন থাকা অবস্থায় এনায়েত উল্যাহ ও মোহাম্মদ হাছানের নেতৃত্বে হঠাৎ আবির্ভূত হয় বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি। যা ইউনিয়ন পরিষদের নীতিমালা বর্হিভূত।
সূত্রে জানা যায়, চেয়ারম্যান থাকা অবস্থায় ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃক পরিচালিত ব্যবস্থাপনা কমিটিতে অন্য কাউকে ভারপ্রাপ্ত করার সুযোগ নেই।

কিন্তু, চেয়ারম্যানকে পাশ কাটিয়ে অন্য একজনকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও পরিষদের কারো সাথে কোনো আলোচনা না করে নিজের মনগড়া একজনকে সদস্য সচিব ঘোষণা করে গত দুই বছর যাবত চলছে চন্দ্রগঞ্জ বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি।

এই কমিটি প্রতিমাসে ব্যবসায়ীদের থেকে ১০০-৫০০ টাকা হারে টাকা কালেকশন করে নাইট গার্ডদের বেতন পরিশোধ ছাড়া আর উল্লেখযোগ্য কোনো কাজ চোখে পড়েনি।

মাঝে মধ্যে উপজেলা থেকে ড্রেনেজ ব্যবস্থা উন্নয়নের বরাদ্দ এনে ড্রেন নির্মাণ করা হলেও এসব ড্রেন ছয়মাসও টিকেনি। অভিযোগ রয়েছে, ড্রেন নির্মাণ বরাদ্দের বেশিরভাগ টাকা বিল ভাউচারের মাধ্যমে নিজেদের পকেট ভারী করে দুইজনের এই কমিটি৷

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুরের অন্যতম বৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চন্দ্রগঞ্জ বাজার। এখানে ব্যবস্থাপনা কমিটির অব্যবস্থাপনা ও সীমিত কার্যক্রমে বাজারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজার পরিচালনা কমিটি নামে পূর্বের কমিটির ব্যর্থতার কারণেই ওই ব্যবস্থার বিলুপ্ত করা হয়েছিল। পরে গঠিত হয় বণিক সমিতি। কিন্তু, বণিক সমিতির অধিকাংশ নেতা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার কারণে ৫ আগষ্টের পরে গা ঢাকা দেয়। ফলে বণিক সমিতির কার্যক্রমও স্থবির হয়ে পড়ে।

এ সুযোগে আবির্ভূত হয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।
এদিকে বণিক সমিতির একাউন্টে এখনো ব্যাংক এশিয়া চন্দ্রগঞ্জ শাখায় ব্যবসায়ীদের জমানো বিপুল পরিমাণ টাকা জমা আছে।
ব্যবসায়ীদের দাবী, দ্রুত সময়ের মধ্যে পুনরায় নির্বাচনের মাধ্যমে বণিক সমিতির কার্যক্রম চালু করা হোক।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category