একজন বলে, “আমিই শেষ কথা।” অন্যজন বলে, “শেষ কথা আল্লাহর।”
সভাসদরা করতালি দেয়, সত্যকে উপহাস করে, নিদর্শনকে জাদু বলে চালায়, আর বিবেককে ক্ষমতার চাকর বানিয়ে ফেলে।
কিন্তু ইতিহাসের সম্পাদক কখনো ঘুষ খান না। তিনি শেষ সংখ্যায় লিখে দেন, অস্বীকারের রাজনীতি কিছুদিন রাজত্ব করতে পারে, কিন্তু চিরকাল টিকে থাকতে পারে না।
সত্যের বিরুদ্ধে দাঁড়ানো যত বড় সাম্রাজ্যই হোক, তার শেষ শিরোনাম একটাই, “পরিণতি: ধ্বংস।”
ফিরআউনের সভায় অনেক জ্ঞানী ছিল, অনেক উপদেষ্টা, অনেক প্রশংসাকারী।
শুধু একটি জিনিসের অভাব ছিল, সত্য বলার সাহস।
মূসার হাতে ছিল নিদর্শন, আর তাদের হাতে ছিল ক্ষমতার সিলমোহর। তারা ভেবেছিল, সিলমোহরই ইতিহাস লিখে।
কিন্তু ইতিহাস কোনো রাজপ্রাসাদে লেখা হয় না, লেখা হয় ন্যায়ের কালি দিয়ে।
তাই আজও প্রতিটি অন্যায়ের সামনে মূসার আহ্বান দাঁড়িয়ে থাকে, আর প্রতিটি অত্যাচারীর সামনে ফিরআউনের পরিণতি একটি অমোচনীয় সতর্কবার্তা হয়ে জ্বলতে থাকে