• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
​শিশুরাই দেশের ভবিষ্যৎ, তাদের সঠিক বিকাশ নিশ্চিত করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় পর্যায়ে ২০০ মিটার স্প্রিন্টে চ্যাম্পিয়ন লালপুরের কিশোর আমান ফলজ,বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণে সুরহট্টি শাহ্ মাখদুম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা,রসুলপুর,পত্নীতলা,নওগাঁর সবুজ অভিযান শুরু ​পুলিশের দ্রুত তৎপরতায় আইনজীবী শান্ত হত্যায় প্রধান আসামিসহ গ্রেফতার ৪ প্রিয় চট্টগ্রাম : তোমার এই রুপ কেনো ? বাগেরহাটে আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন বাগেরহাটে খাল দখলমুক্তের দাবিতে দ্বিতীয় দিনের অবস্থান, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা বুড়িগঙ্গা সংলগ্ন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের বাঁশপট্টিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ১ ঘণ্টা পরও পৌঁছায়নি ফায়ার সার্ভিস—ক্ষোভে ফুঁসছে এলাকাবাসী বাগেরহাটে আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন “বাঙ্গরা উপজেলা প্রেস ক্লাবের নতুন কমিটি গঠন: সাংবাদিকদের ঐক্য ও বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার অঙ্গীকার”

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে বর্তমানে তীব্র জনবল সংকট বিরাজ করছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি,মোঃ মোনারুল ইসলাম / ৫৬ Time View
Update : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬

গাইবান্ধার যমুনা নদীবেষ্টিত ফুলছড়ি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসে দীর্ঘদিন ধরে তীব্র জনবল সংকট বিরাজ করছে। প্রয়োজনীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর অভাবে সরকারি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনে হিমশিম খেতে হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের। এতে সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ফুলছড়ি উপজেলা গাইবান্ধা জেলার অন্যতম বৃহৎ চরাঞ্চল ও দুর্যোগপ্রবণ উপজেলা। উপজেলার বেশিরভাগ ইউনিয়ন যমুনা নদীর তীরবর্তী হওয়ায় প্রতিবছর বন্যা, নদীভাঙনসহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে থাকে। এসব দুর্যোগ মোকাবিলা, ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ, আশ্রয়ণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু বাস্তব চিত্র হলো, গুরুত্বপূর্ণ এ অফিসটিতে বর্তমানে চরম জনবল সংকট রয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এস.এম.আবু মোতালেব জানান, অফিসে প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করতেই নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বর্তমানে অফিসে মাত্র দুইজন কর্মী দায়িত্ব পালন করছেন এবং তারাও আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োজিত। স্থায়ী জনবল না থাকায় অফিসের প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে শুরু করে মাঠপর্যায়ের তদারকি পর্যন্ত সব দায়িত্ব সীমিত জনবল দিয়েই সামলাতে হচ্ছে।
তিনি বলেন, ফুলছড়ি একটি চরাঞ্চল উপজেলা। এই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত প্রকল্প পরিদর্শন, উন্নয়ন কাজের অগ্রগতি তদারকি, সরকারি বরাদ্দের কার্যক্রম বাস্তবায়ন এবং দুর্যোগকালীন জরুরি সেবা নিশ্চিত করতে হয়। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অত্যন্ত কম হওয়ায় এসব কার্যক্রম পরিচালনায় অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে।
জানা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বাস্তবায়নাধীন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ নিয়মিত পরিদর্শন, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, জিআরসহ বিভিন্ন কর্মসূচির তদারকি এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের দায়িত্বও এই অফিসের ওপর। এছাড়া বন্যা, নদীভাঙন কিংবা অন্য কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখা দিলে ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সংগ্রহ, ত্রাণ বিতরণ এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করেও কাজ করতে হয়। অথচ সীমিত জনবলের কারণে এসব কার্যক্রম পরিচালনা দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, দুর্যোগপ্রবণ ও চরাঞ্চল উপজেলায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের কার্যক্রম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জনবল সংকটের কারণে মাঠপর্যায়ে সরকারি সেবার মান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ডেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তাই দ্রুত শূন্য পদ পূরণ এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের মাধ্যমে অফিসটির কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের আশা, জনস্বার্থের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এতে একদিকে যেমন সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের বাস্তবায়ন হবে, অন্যদিকে দুর্যোগকালীন সেবা কার্যক্রমও আরও কার্যকরভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category