• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
শুধু বই পড়ালেই প্রকৃত শিক্ষক হওয়া যায় না: ডিসি জাহিদ ভূজপুরে চা-বাগানের শ্রমিকদের বেতন ও পূজার বোনাসের ৭ লাখ ৩৩ হাজার টাকা ছিনতাই সিংড়ায় জামায়াতের চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল কাহ্হার কামরুলের গণসংযোগ, দুর্নীতিবিরোধী স্লোগানকে গুরুত্ব শেরকোলে উঠান বৈঠকে চেয়ারম্যান প্রার্থী জয়নাল আবেদিনের উন্নয়ন ও জনসেবার অঙ্গীকার চট্টগ্রামে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে দেওয়া হবে না: ডিসি জাহিদ সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বরণে প্রস্তুত চট্টগ্রাম।— সাঈদ আল নোমান এমপি যশোরে ছাত্রদল নেতাকে ছুরিকাঘাত সিংড়ায় আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত, অগ্নিকাণ্ড ও ভূমিকম্পে উদ্ধার মহড়া শারদীয় দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া শিক্ষক নিয়োগ প্রমাণিত, বহাল তবিয়তে অধ্যক্ষ আমজাদ

সিরাজগঞ্জ যমুনাচরে লাল সোনা খ্যাত মরিচের বাম্পার ফলন

মোঃ আব্দুর রব মনসুর, সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি / ৫২ Time View
Update : বুধবার, ২৪ জুন, ২০২৬

সিরাজগঞ্জের যমুনার নদীর চরে নতুন পলি মাটিতে এ বছর বাম্পার ফলন হয়েছে লাল সোনা খ্যাত মরিচের। ভালো দামে বিক্রি হওয়ায় চাষিরা খুব খুশি হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এবছর জেলায় ১৫৫০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। চাষকৃত মরিচের মধ্যে রয়েছে হাইব্রিড জাত বিজলি, রোশনী, উন্নত জাতের বারী-৩, সুপার সনিক, রংপুরী, বগুড়া এবং স্থানীয় জাতের মরিচ। প্রতি হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন হয়েছে ১১.২৫ মেট্রিক টন এবং শুকনা মরিচ উৎপাদন হয়েছে ২.৪ থেকে ২.৫ মেট্রিক টন। স্থানীয় বাজারে প্রতি মন শুকনা মরিচ ১২ থেকে ১৬ হাজার টাকা আর আর কাঁচামরিচ ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। উওরবঙ্গের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ হাট হচ্ছে কাজিপুরের নাটুয়ারপাড়া হাট। এখানে প্রতি সপ্তাহে শনি ও বুধবার হাট বসে। সেখানে দেশের বড় বড় কোম্পানি প্রতিনিধি ও ব্যবসায়ীরা মরিচ কিনে নিয়ে যান। নাটুয়ার পাড়া গ্রামের মরিচ চাষী শফিকুল ইসলাম জানান, এক বিঘা জমিতে চাষ করা মরিচ চার মন শুকনো মরিচ বাজারে বিক্রি করলে প্রায় ৯৬ হাজার টাকা আয় করতে পারেন। মনসুর নগর চরের শাজাহান জানান, দুই বিঘা জমিতে চাষ করা কাঁচা মরিচ ৪০ মন কাঁচা মরিচ ইতিমধ্যে বিক্রি করেছেন। এছাড়া চার মণ শুকিয়ে রেখেছেন, যা বিক্রি করলে ১ লক্ষ টাকার মত হবে বলে আশা করেন।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নাসির হোসেন বলেন, ভালো দামের আশায়,চাষিরা মরিচ চাষে আগ্রহী হচ্ছে। সদর উপজেলায় এ বছরের ৭০০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। কাজিপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম জানান, হেক্টর প্রতি শুকনো মরিচের উৎপাদন ২. ৪থেকে ২.৫ মেট্রিক টন। এখানে স্থানীয় জাত ছাড়াও বিজলি প্লাস, বালিজুরি,বেড গোল্ড জাতের মরিচ চাষ হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ,কে এম মনজুর মাওলা বলেন, এবছর মরিচের ভালো দাম থাকায় চাষিরা মরিচ চাষে আগ্রহী হচ্ছে। এ বছর জেলায় মরিচের ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।


আপনার মতামত লিখুন :
More News Of This Category