দৈনিক প্রথম চিত্র রিপোর্টঃ
নেত্রকোনা জেলার সবচেয়ে বড় গরু "ঈশা খা" এবারের ঈদেও বিক্রি হয়নি। গত বছর এর দাম ৭লাখ ২০হাজার টাকা হয়েছিল। কিন্তু এ বছর আরও বিশ হাজার টাকা দাম কমে যায়। তবুও তিনি বিক্রি করে দিতে চেয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত শর্তের বেড়াঝালে আর বিক্রি হয়নি। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছেন গরুর মালিক খায়রুল ইসলাম। প্রতিদিনের খাবার খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছেন গরুর মালিক।
ষাঁড়ের মালিক খায়রুল ইসলাম সদর উপজেলার খাইলাটি ইউনিয়নের ফচিকা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ওই ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য।
জানা গেছে, খায়রুল ইসলামের খামারে জন্ম নেয় গরুটি। দুই মাস বয়সে গরুটির চলা ফেরায় অন্য সব গরু থেকে আলাদা লক্ষ করেন গরুর মালিক। এ থেকে খায়রুল ইসলাম গরুটি কে "ঈশা খা" বলে ডাকেন। গরুটিও ধীরে ধীরে এ নামে অভ্যস্ত হয়ে যায়। এ বছর জেলায় কুরবানীর জন্য প্রস্তুত করা গরুর মধ্যে "ঈশা খা" সবচেয়ে বড় ষাঁড়। এটি ফ্রিজিয়ান জাতের একটি গরু। এর বয়স তিন বছর ১০মাস। গরুটির গায়ের রং কালো ও সাদা। ষাঁড়টির উচ্চতা সাড়ে ৫ফুট ও দৈর্ঘ্যে ৯ফুট। ঈশা খা'র ওজন ৪০মণের বেশী।
খাইরুল ইসলাম দৈনিক প্রথম চিত্রকে বলেন, ঈশা খা'র ওজন ৪০ মনের বেশি। গতবছর ৭লাখ ২০হাজার টাকা দাম হয়েছিল। তখন বিক্রি করিনি। এ বছর আরও কম দাম হয় সবশেষে সিলেটের এক পার্টি গত বছরের থেকে আরো ২০ হাজার টাকা কম দামের সাত লাখ টাকায় তার কাছে বিক্রি করতে চেয়েছিলাম কিন্তু শর্তের বেড়াজালে আর বিক্রি করতে পারেনি
তিনি আরও বলেন, ঈশা খা আমার পরিবারের একটি শখের গরু ছিল। এটিকে সবাই পরিবারের সদস্য হিসেবে মনে করত। বর্তমানে এটি আমাদের পরিবারের জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ষাঁড়টিকে প্রতিদিন ১হাজার টাকার বেশি খাবার খাওয়াতে হয়। এখন আমি খুব দুশ্চিন্তায় আছি। গরুটি বিক্রি করতে পারলেই যেন মনে হয় আমার পরিবার উদ্ধার হবে।