ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সালমা খাতুন নামে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে তিনি মারা যান। তবে মৃত্যুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তার কোনো স্বজনের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই নারী হাসপাতালে ভর্তি হন। ভর্তির পর থেকে তার পাশে কোনো আত্মীয়-স্বজন বা পরিচিত ব্যক্তিকে দেখা যায়নি। হাসপাতালের রেজিস্টারে ভর্তির সময় যে মোবাইল নম্বরটি দেওয়া হয়েছিল, সেটি ভুল হওয়ায় কর্তৃপক্ষ তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয়।
জানা গেছে, সালমা খাতুনকে তিনজন নারী হাসপাতালে নিয়ে আসেন। তারা তাকে ভর্তি করিয়ে দ্রুত হাসপাতাল ত্যাগ করেন। এরপর থেকে তাদেরও আর কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনাকে ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। তার মৃত্যু স্বাভাবিক নাকি অন্য কোনো কারণে হয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে সালমা খাতুনের মরদেহ হাসপাতালের হেফাজতে রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ মানবিক কারণে তার পরিচয় বা স্বজনদের সন্ধান জানাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। তার সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে দ্রুত ঝিনাইদহ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করার অনুরোধ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনো থানাকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। বিষয়টি অবগত হওয়ার পর প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।