আমরা এমন এক সময়ে বাস করছি,
যেখানে মানুষ পরিচিত হতে চায়,
কিন্তু পরিচিতির চেয়ে বড় বিষয়
হলো সম্মানিত হওয়া।
সম্মান কেনা যায় না,
ক্ষমতায় কেড়ে নেওয়া যায় না,
প্রচারণায় দীর্ঘস্থায়ী করা যায় না।
কুরআন জানিয়ে দেয়,
মর্যাদার ভিত্তি হলো ঈমান ও জ্ঞান।
ঈমান মানুষকে সৎ করে,
জ্ঞান মানুষকে সক্ষম করে।
ঈমান পথ দেখায়,
জ্ঞান সেই পথে চলার শক্তি দেয়।
এই দুইয়ের মিলনেই গড়ে ওঠে
সভ্যতার শ্রেষ্ঠ মানুষরা।
তাই যে সমাজ জ্ঞানচর্চাকে অবহেলা করে,
সে নিজের ভবিষ্যৎকে দুর্বল করে।
আর যে সমাজ ঈমানকে বিস্মৃত হয়,
সে নিজের আত্মাকে হারিয়ে ফেলে।
একটি পাখি এক ডানায় উড়তে পারে না।
একটি জাতিও পারে না।
ঈমান একটি ডানা,
জ্ঞান আরেকটি।
শুধু জ্ঞান মানুষকে দক্ষ করতে পারে,
কিন্তু তাকে ন্যায়বান করে না।
শুধু ঈমান মানুষকে আন্তরিক করতে পারে,
কিন্তু তাকে নেতৃত্বের জন্য প্রস্তুত করে না।
কুরআনের শিক্ষা তাই ভারসাম্যের শিক্ষা।
যে হৃদয়ে ঈমান আছে
এবং যে মস্তিষ্কে জ্ঞানের আলো আছে,
সে মানুষ শুধু নিজের জীবন নয়,
সমাজের গতিপথও বদলে দিতে পারে।
আল্লাহ তাদের জন্য উচ্চ মর্যাদার কথা বলেছেন,
কারণ তারা পৃথিবীতে আলো ছড়ায়
এবং আখিরাতের পথও আলোকিত করে।