কমলনগর উপজেলার ৮ নং চর কাদিরা ইউনিয়ন এর ৮ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা মোঃ ছালা উদ্দিনের বড় ছেলে মো: আশ্রাফুল ইসলামের সাথে নোয়াখালী সদর উপজেলার ২০ নং আন্ডার চর ইউনিয়ন এর ৩ নং ওয়ার্ড বাসিন্দা মোঃ জামাল উদ্দিনের ছোট মেয়ে মোহাম্মদ জেছমিন বেগমের সাথে ১ / ০৫ / ২০২৪ ইং তারিখে ইসলামি শরিয়ত মোতাবেক রেজিষ্ট্রিকূত নিকাহনামা ,(১০০০০০০)দশ লক্ষ টাকা দেন মোহরে শুভ বিবাহ সম্পন্ন হয় সেখানে উভয়ের মাধ্যে দাম্পত্য জীবন যাপন চলাকালে ১ টি পুএ সন্তান জন্মগ্রহণ করে যাহার নাম আইয়ান মো: সানিম (১ বছর ২ মাস হয়) কিন্তু জেছমিন বেগমের সুখ শান্তির জন্য তার পিতা, মো: জামাল উদ্দিন ১ ভরি ওজনের ১ টি গলার চেইন যাহার মূল্য ২৫০০০০ টাকা মো: আশ্রাফুল ইসলাম কে গলার ৮ আনা ওজনের ১ টি চেইন যাহার মূল্য ১২৫০০০ টাকা প্রধান করে এবং মেয়ের সুখের কথা বেবে হাওলাত হিসেবে নগদ আরো, ১০০০০০ টাকা দেয় এতো কিছুর পরে আবার বিদেশে যাওয়ার কথা বলে যৌতুক হিসেবে আরো ২০০০০০ টাকা দাবী করে তার পর এবার পবিএ ঈদুল আজহার সময় খাসি ছেয়ে ৫০০০০ টাকা দাবী করে দাবীকূত টাকা দিবেনা বলে জেছমিন বেগম নিশেদ করলে তার পর থেকে তার প্রতি চলে অমানবিক নির্যাতন যাহা তার পক্ষে মেনে নেওয়া সম্বভ হয়নি তাই একটু শান্তির খুজে অনেক কষ্ট করে মা ও বোনকে অবহিত করে তখন তারা তার শোশুর বাড়ী থেকে এনে তাকে উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্য কমলনগর এ ভর্তি করেন যার রেজিঃ নং ৯০৯৯ /২৭ তাং - ০৩/০৬/ ২৬ ইং এর পর উন্নতির জন্য নোয়াখালী র্্যয়েল হাসপাতাল ভর্তি করানো হয় পরে আরো উন্নতির জন্য ঢাকা মেডিকেল ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয় পরে জেছমিন বেগম ও তার মা নিরুপায় হয়ে নোয়াখালি সুধারাম মডেল থানায় বিগত ০৪ /০৬/২০২৬ ইং তারিখে এজহার দায়ের করিতে গেলে থানা কর্তূপক্ষ আদালতে মামলা দায়েরের পরামর্শ দেয় তখনি আদালতে ৩ জন কে আসামি করে মামলা করা হয় এ ডি আর নং ,,,,, ২০২৫ ইং আসামীগন হলো ,১/ আশ্রাফুল ইসলাম ,(২৫) পিতা ,ছালা উদ্দিন ,২/ নিরু তাজ বেগম (,৫০) পতি ছালা উদ্দিন ,৩/ মোঃ সাকিব (২২) পিতা ,ছালা উদ্দিন ।বাদী পক্ষো আশা প্রকাশ করেন আমরা আইনকে শ্রদ্দা করি তাই আইনি মোকাবেলার মাধ্যেমে ইনশাআল্লাহ আমরা সঠিক বিচার পাবো বলে আশা করি